Skip to main content

শেখ হাসিনা এখন ভারতের বোঝা, যা বললেন কংগ্রেস নেতা

 শেখ হাসিনা এখন ভারতের বোঝা, যা বললেন কংগ্রেস নেতা

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং শেখ হাসিনার কিছু মন্তব্য নিয়ে ভারতীয় কংগ্রেস নেতা শশী থারুর মন্তব্য করেছেন, যা তিনি ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে (এফসিসি) একটি বই প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন। থারুর বলেন, শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তবে তিনি জোর দিয়ে জানান, যেই সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, ভারতের সবসময় বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা উচিত।


শশী থারুর বলেন, “কোনো দেশের সরকার নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। বরং আপনাকে তাদের সঙ্গে কাজ করতে শিখতে হবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শত্রুতাপূর্ণ বলা যাবে না, তবে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজতিনি ভারতের পররাষ্ট্রনীতির দুটি প্রধান নীতির কথা উল্লেখ করেন। প্রথমত, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা সম্প্রদায়ের পক্ষে অবস্থান না নেওয়া।


থারুর বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “বাংলাদেশ ভারতের একেবারে পাশের দেশ। সেখানে যা ঘটছে, তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব ভারতের ওপর পড়তে পারে।” তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ভারতের জন্য একটি দুর্বল জায়গা হতে পারে, যেখানে শত্রুতাপূর্ণ সরকার ক্ষমতায় এলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারেঢাকা-ইসলামাবাদের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে থারুর বলেন, “যদি বাংলাদেশে বড় ধরনের কোনো অস্থিরতা দেখা দেয়, তাহলে তা ভারতের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এটি এমন একটি এলাকা যেখানে আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে বহিরাগত শক্তি ক্ষতি করার সুযোগ নিতে পারে।”শেখ হাসিনার বর্তমান অবস্থান প্রসঙ্গে থারুর বলেন, গত বছরের ছাত্র আন্দোলনের ফলে শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয় এবং বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান এবং এখনও সেখানে অবস্থান করছেন।থারুর আরও বলেন, “ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।” বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের সতর্কতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিটি স্তরে এই বার্তা দেওয়া উচিত যে, আমাদের প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণের প্রতি।”।ন।

Countdown Timer
00:01

Comments

Popular posts from this blog

সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা

 সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা কটি স্ট্যাটাস দিয়েছে,তার লেখা স্ট্যাটাস টি হুবাহু তুলে ধরা হলো..তিনি লিখেন, সামনে ১০ নম্বর ম’হাবি’পদ সংকেত!!!!একটা ‘১৫ মিনিটসের প্রোগ্রাম করতে অনেক কষ্ট হয়৷ ৫ তারিখের পর চাইলে অনেক ধান্দায় যুক্ত হতে পারতাম৷ ২-৪ লাখ সাবসক্রাইবারের চ্যানেল দিয়ে মানুষকে ব্লাকমেইল করে অনেকে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে৷ আমারও টাকা পয়সার সমস্যা হতো না কিন্তু সেটা না করে দেশের জন্যে কাজ করতে চেয়েছি৷৫ তারিখের পরপর প্রথম আলো-ডেইলী স্টার কিভাবে আলেমদের ধরে জ’ঙ্গি বানাতো সেই প্রমান দিয়েছি৷ পিলখানার ঘটনাকে কিভাবে প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার জঙ্গি তকমা দিয়েছে সেটা দেখিয়েছি তারপর একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার নিয়ে কিভাবে প্রথম আলো জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছে সেটার প্রমাণ দিয়েছি৷ পরিকল্পনা ছিলো এক এক করে হলি আর্টিজানসহ দেশের সবকটা জঙ্গি হামলার আসল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করবো৷ কিন্তু সেটার আর প্রয়োজন মনে করছিনা৷ কারন এতসব প্রমান দেখানোর পরেও প্রথম আলো ডেইলি স্টারের বি’রুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নিউল্টো প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সব রাজনৈতিক দলের ( জামায়ত-বিএনপিসহ ছোট বড় কুকুরের ছা...

অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ...See more

  অনির্দিষ্ট কালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ” — এমন খবর সাধারণত হঠাৎ করে হয় না, এর পেছনে নির্দিষ্ট কারণ থাকে। বাংলাদেশে এরকম পরিস্থিতি সাধারণত নিচের কারণে দেখা যায়: সম্ভাব্য কারণ ধর্মঘট বা পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলন ভাড়া বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি, সড়ক আইন বা প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধ হলে বাস মালিক/শ্রমিকরা ধর্মঘট ডাকতে পারে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বা কর্মসূচি বড় রাজনৈতিক দলগুলোর হরতাল/অবরোধের সময় বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জ্বালানির দাম বা সরবরাহ সমস্যা ডিজেল/পেট্রোলের দাম বাড়লে বা সংকট হলে পরিবহন মালিকরা বাস নামাতে চায় না। সড়ক দুর্ঘটনা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় কোনো দুর্ঘটনার পর বা নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে সাময়িকভাবে বাস বন্ধ রাখা হয়। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন নির্বাচন, বড় ইভেন্ট, নিরাপত্তা ঝুঁকি) সরকার বাস চলাচল সীমিত করতে পারে। আপনার করণীয় স্থানীয় সংবাদ (টিভি/অনলাইন) চেক করুন বাস কাউন্টার বা পরিবহন অফিসে খোঁজ নিন বিকল্প হিসেবে ট্রেন, লঞ্চ বা রাইড শেয়ার (যদি চালু থাকে) বিবেচনা করুন 🔎 Reality Check “অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ” কথাটা অনেক সময় চাপ তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বাস্তবে বেশি...

সহ' বাস শেষে বী' র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম কি বলে জেনে নিন

 স’হ’বাস শেষে বী’র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম যা বলছে সহবাসের সময় বীর্য স্ত্রীর গর্ভে না রেখে বাইরে ফেলার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতির নাম ফিকহের ভাষায় “আজল”। এটি একটি পরিচিত প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যার ব্যাপারে ইসলাম সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। হাদিস অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় সাহাবিরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করতেন, এবং তিনি তা নিষেধ করেননি। ফলে ইসলামি শরিয়তের আলোকে বলা যায়, স্ত্রীর সম্মতি থাকলে এবং বৈধ প্রয়োজনে আজল ব্যবহার করা জায়েয। তবে ইসলামে সন্তান না নেওয়ার পেছনে উদ্দেশ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি শুধুমাত্র দারিদ্র্য, জীবিকা অনিশ্চয়তা কিংবা সন্তান পালনের ভয় থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, “তোমাদের ও তোমাদের সন্তানদের রিজিকের দায়িত্ব আমি (আল্লাহ) নিয়েছি।” তবে স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের মত অনুযায়ী গর্ভধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হলে, সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ বৈধ। এই ক্ষেত্রে আজল, কন্ডমসহ স্বাস্থ্যসম্মত ও শরিয়তসম্মত উপায় অবলম্বন করা যায়। স্থায়ীভাব...