Skip to main content

গবেষণায় গজাবে নতুন দাত!

 

গবেষণাটি NIDCR ও অন্যান্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ (NIH)-এর সহায়তায় পরিচালিত হয় এবং এর ফলাফল Science Translational Medicine জার্নালে প্রকাশিত হয়।


গবেষণার জন্য বিজ্ঞানীরা ইঁদুরের মোলার দাঁতে ছোট গহ্বর তৈরি করেন এবং এক অংশে লেজার থেরাপি প্রয়োগ করেন, অন্য অংশে নয়। ১২ সপ্তাহ পর দেখা যায়, লেজার-প্রাপ্ত দাঁতে নতুন ডেন্টিন গঠিত হয়েছে।



ল্যাবরেটরির আরও পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়, লেজার থেরাপি Reactive Oxygen Species (ROS) উৎপন্ন করে, যা Transforming Growth Factor Beta (TGF-β) সক্রিয় করে। এই সংকেত প্রোটিন দাঁতের স্টেম সেলকে ডেন্টিন কোষে রূপান্তরিত করে।


গবেষকরা দেখেছেন, এই পদ্ধতি মানব স্টেম সেলের ক্ষেত্রেও কার্যকর হতে পারে। তবে ক্লিনিক্যাল পর্যায়ে প্রয়োগের জন্য আরও উন্নত প্রযুক্তি ও সুনির্দিষ্ট লেজার নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি প্রয়োজন হবে। গবেষক ড. ডেভিড মুনি বলেন, "এই প্রক্রিয়ায় কোনো কৃত্রিম উপাদানের প্রয়োজন নেই, তাই এটি দ্রুত ক্লিনিক্যাল পর্যায়ে আনার সুযোগ রয়েছে। দাঁতের পুনর্জন্ম ঘটাতে পারলে এটি প্রতিস্থাপনের বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।"


এই গবেষণা ভবিষ্যতে দাঁতের ক্ষয় ও বিভিন্ন রোগের সহজ, সাশ্রয়ী ও কার্যকর সমাধান হিসেবে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে আশা করছেন বিদাঁতের চিকিৎসায় যুগান্তকারী সাফল্য পেলেন গবেষকরা। স্বল্প মাত্রার লো-পাওয়ার লেজার (LPL) থেরাপির মাধ্যমে দাঁতের স্টেম সেল সক্রিয় করে নতুন ডেন্টিন তৈরির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ডেন্টিন হলো দাঁতের মূল উপাদানগুলোর অন্যতম। এই গবেষণা ভবিষ্যতে দাঁতের রোগ ও ক্ষয় মোকাবিলায় কম খরচে, অ-আক্রমণাত্মক চিকিৎসার দুয়ার খুলতে পারে।


বর্তমানে দাঁতের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতের জন্য চিকিৎসকরা বিভিন্ন নিষ্ক্রিয় উপাদান ব্যবহার করেন। তবে, এসব উপাদান সময়ের সঙ্গে কার্যকারিতা হারাতে পারে এবং প্রাকৃতিক দাঁতের সম্পূর্ণ কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে পারে না। ফলে, টিস্যু পুনরুৎপাদনের মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে দাঁত মেরামত করার সম্ভাবনা নতুন আশার সঞ্চার করেছে।


ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডেন্টাল অ্যান্ড ক্রানিওফেসিয়াল রিসার্চ (NIDCR) এবং হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির গবেষকদের যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, লো-পাওয়ার লেজার প্রয়োগ করলে দাঁতের স্টেম সেল সক্রিয় হয়ে নতুন ডেন্টিন তৈরি করতে পারে।শেষজ্ঞরা।

Countdown Timer
00:01

Comments

Popular posts from this blog

সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা

 সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা কটি স্ট্যাটাস দিয়েছে,তার লেখা স্ট্যাটাস টি হুবাহু তুলে ধরা হলো..তিনি লিখেন, সামনে ১০ নম্বর ম’হাবি’পদ সংকেত!!!!একটা ‘১৫ মিনিটসের প্রোগ্রাম করতে অনেক কষ্ট হয়৷ ৫ তারিখের পর চাইলে অনেক ধান্দায় যুক্ত হতে পারতাম৷ ২-৪ লাখ সাবসক্রাইবারের চ্যানেল দিয়ে মানুষকে ব্লাকমেইল করে অনেকে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে৷ আমারও টাকা পয়সার সমস্যা হতো না কিন্তু সেটা না করে দেশের জন্যে কাজ করতে চেয়েছি৷৫ তারিখের পরপর প্রথম আলো-ডেইলী স্টার কিভাবে আলেমদের ধরে জ’ঙ্গি বানাতো সেই প্রমান দিয়েছি৷ পিলখানার ঘটনাকে কিভাবে প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার জঙ্গি তকমা দিয়েছে সেটা দেখিয়েছি তারপর একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার নিয়ে কিভাবে প্রথম আলো জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছে সেটার প্রমাণ দিয়েছি৷ পরিকল্পনা ছিলো এক এক করে হলি আর্টিজানসহ দেশের সবকটা জঙ্গি হামলার আসল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করবো৷ কিন্তু সেটার আর প্রয়োজন মনে করছিনা৷ কারন এতসব প্রমান দেখানোর পরেও প্রথম আলো ডেইলি স্টারের বি’রুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নিউল্টো প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সব রাজনৈতিক দলের ( জামায়ত-বিএনপিসহ ছোট বড় কুকুরের ছা...

অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ...See more

  অনির্দিষ্ট কালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ” — এমন খবর সাধারণত হঠাৎ করে হয় না, এর পেছনে নির্দিষ্ট কারণ থাকে। বাংলাদেশে এরকম পরিস্থিতি সাধারণত নিচের কারণে দেখা যায়: সম্ভাব্য কারণ ধর্মঘট বা পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলন ভাড়া বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি, সড়ক আইন বা প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধ হলে বাস মালিক/শ্রমিকরা ধর্মঘট ডাকতে পারে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বা কর্মসূচি বড় রাজনৈতিক দলগুলোর হরতাল/অবরোধের সময় বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জ্বালানির দাম বা সরবরাহ সমস্যা ডিজেল/পেট্রোলের দাম বাড়লে বা সংকট হলে পরিবহন মালিকরা বাস নামাতে চায় না। সড়ক দুর্ঘটনা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় কোনো দুর্ঘটনার পর বা নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে সাময়িকভাবে বাস বন্ধ রাখা হয়। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন নির্বাচন, বড় ইভেন্ট, নিরাপত্তা ঝুঁকি) সরকার বাস চলাচল সীমিত করতে পারে। আপনার করণীয় স্থানীয় সংবাদ (টিভি/অনলাইন) চেক করুন বাস কাউন্টার বা পরিবহন অফিসে খোঁজ নিন বিকল্প হিসেবে ট্রেন, লঞ্চ বা রাইড শেয়ার (যদি চালু থাকে) বিবেচনা করুন 🔎 Reality Check “অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ” কথাটা অনেক সময় চাপ তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বাস্তবে বেশি...

সহ' বাস শেষে বী' র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম কি বলে জেনে নিন

 স’হ’বাস শেষে বী’র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম যা বলছে সহবাসের সময় বীর্য স্ত্রীর গর্ভে না রেখে বাইরে ফেলার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতির নাম ফিকহের ভাষায় “আজল”। এটি একটি পরিচিত প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যার ব্যাপারে ইসলাম সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। হাদিস অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় সাহাবিরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করতেন, এবং তিনি তা নিষেধ করেননি। ফলে ইসলামি শরিয়তের আলোকে বলা যায়, স্ত্রীর সম্মতি থাকলে এবং বৈধ প্রয়োজনে আজল ব্যবহার করা জায়েয। তবে ইসলামে সন্তান না নেওয়ার পেছনে উদ্দেশ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি শুধুমাত্র দারিদ্র্য, জীবিকা অনিশ্চয়তা কিংবা সন্তান পালনের ভয় থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, “তোমাদের ও তোমাদের সন্তানদের রিজিকের দায়িত্ব আমি (আল্লাহ) নিয়েছি।” তবে স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের মত অনুযায়ী গর্ভধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হলে, সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ বৈধ। এই ক্ষেত্রে আজল, কন্ডমসহ স্বাস্থ্যসম্মত ও শরিয়তসম্মত উপায় অবলম্বন করা যায়। স্থায়ীভাব...