Skip to main content

মাগুরার আছিয়ার বোনের মুখ থেকে সত্যিটা শোনেন (ভিডিওসহ)

 মাগুরার আছিয়ার বোনের মুখ থেকে সত্যিটা শোনেন (ভিডিওসহ)

মাগুরার আছিয়ার বোনকে টেলিভিশনের সামনে বক্তব্য দিতে দেখা গেছে। সারা দেশের মানুষ তার বক্তব্য শুনেছে, কিন্তু তার কথাগুলোতে বারবার অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে। কখনো তিনি বলছেন, ধর্ষণের সময় তিনি ওয়াশরুমে ছিলেন, আবার কখনো বলছেন, আছিয়াকে ঘর থেকে টেনে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আবার অন্য এক সময় বলেছেন, তিনি তখন ঘুমিয়ে ছিলেন।


এই বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—আসল সত্যটি কী? আপনি যখন ঘটনাস্থলে ছিলেন না, তখন কীভাবে এত ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিচ্ছেন? কখনো বলেছেন ধর্ষণটি সেহরির পর হয়েছে, আবার কখনো বলেছেন রাত আড়াইটায়। তাহলে প্রকৃত ঘটনা কোনটি?


আমরা জানতে চাই, সেদিন রাতে ঠিক কী ঘটেছিল? আপনি বলেছেন, রাত আটটার দিকে আপনি, আপনার স্বামী ও আপনার বোন ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এরপর কী হলো? আপনি কি কিছু টের পেয়েছিলেন? যদি আপনার ঘুমের মধ্যে কিছু মিশিয়ে দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে আপনি স্পষ্টভাবে বলতে পারেন যে আপনাকে কিছু খাওয়ানো হয়েছিল, আর আপনি কিছু জানতেন না। কিন্তু আপনি যখন একবার এক কথা, আবার আরেকবার আরেক কথা বলেন, তখন সন্দেহ তৈরি হয়।


আপনার বক্তব্যের অসঙ্গতি নিয়ে আরও প্রশ্ন উঠছে। যদি আপনার শাশুড়ি আপনাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে থাকেন, তাহলে ধর্ষণের ঘটনাটি আপনার শ্বশুর কীভাবে ঘটালেন? যদি তারা একসঙ্গে ষড়যন্ত্র করে থাকে, তাহলে কি আপনার শাশুড়ি এতে জড়িত? তাহলে তিনি কেন এখনো বাইরে রয়েছেন? আপনি কি কখনো এ বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু বলেছেন?


আজ আমরা জানতে পারলাম যে আপনাকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল, এবং এটি পরিকল্পিত ছিল। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—এই পরিকল্পনা কি শুধুমাত্র ধর্ষণের উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ ছিল? টাকা-পয়সা নিয়ে কোনো বিরোধ ছিল কি? কোনো পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে কি এই ঘটনা ঘটতে পারে?


আপনার বক্তব্য অনুযায়ী, ধর্ষণের পর সকালে ছয়টার দিকে আপনি দেখলেন দরজা খোলা, আর আপনার বোন মেঝেতে পড়ে আছে। এরপর আপনি তাকে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে জাগানোর চেষ্টা করলেন। সে তখন অসংলগ্ন আচরণ করছিল, কাঁদছিল, এবং স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারছিল না। কিন্তু এর আগেও সে কেঁদেছে বলে আপনি বলেছেন। তাহলে আপনি আগে কেন কিছু বোঝেননি?


এই ঘটনায় আপনার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনি ঘটনার সময় ওই বাড়িতেই ছিলেন। আপনার বক্তব্যের মাধ্যমে পুরো দেশ সত্যটি জানতে চায়। কিন্তু বারবার ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিলে সত্যের অনুসন্ধান কঠিন হয়ে পড়ে।

Countdown Timer
00:01

Comments

Popular posts from this blog

সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা

 সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা কটি স্ট্যাটাস দিয়েছে,তার লেখা স্ট্যাটাস টি হুবাহু তুলে ধরা হলো..তিনি লিখেন, সামনে ১০ নম্বর ম’হাবি’পদ সংকেত!!!!একটা ‘১৫ মিনিটসের প্রোগ্রাম করতে অনেক কষ্ট হয়৷ ৫ তারিখের পর চাইলে অনেক ধান্দায় যুক্ত হতে পারতাম৷ ২-৪ লাখ সাবসক্রাইবারের চ্যানেল দিয়ে মানুষকে ব্লাকমেইল করে অনেকে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে৷ আমারও টাকা পয়সার সমস্যা হতো না কিন্তু সেটা না করে দেশের জন্যে কাজ করতে চেয়েছি৷৫ তারিখের পরপর প্রথম আলো-ডেইলী স্টার কিভাবে আলেমদের ধরে জ’ঙ্গি বানাতো সেই প্রমান দিয়েছি৷ পিলখানার ঘটনাকে কিভাবে প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার জঙ্গি তকমা দিয়েছে সেটা দেখিয়েছি তারপর একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার নিয়ে কিভাবে প্রথম আলো জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছে সেটার প্রমাণ দিয়েছি৷ পরিকল্পনা ছিলো এক এক করে হলি আর্টিজানসহ দেশের সবকটা জঙ্গি হামলার আসল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করবো৷ কিন্তু সেটার আর প্রয়োজন মনে করছিনা৷ কারন এতসব প্রমান দেখানোর পরেও প্রথম আলো ডেইলি স্টারের বি’রুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নিউল্টো প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সব রাজনৈতিক দলের ( জামায়ত-বিএনপিসহ ছোট বড় কুকুরের ছা...

অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ...See more

  অনির্দিষ্ট কালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ” — এমন খবর সাধারণত হঠাৎ করে হয় না, এর পেছনে নির্দিষ্ট কারণ থাকে। বাংলাদেশে এরকম পরিস্থিতি সাধারণত নিচের কারণে দেখা যায়: সম্ভাব্য কারণ ধর্মঘট বা পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলন ভাড়া বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি, সড়ক আইন বা প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধ হলে বাস মালিক/শ্রমিকরা ধর্মঘট ডাকতে পারে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বা কর্মসূচি বড় রাজনৈতিক দলগুলোর হরতাল/অবরোধের সময় বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জ্বালানির দাম বা সরবরাহ সমস্যা ডিজেল/পেট্রোলের দাম বাড়লে বা সংকট হলে পরিবহন মালিকরা বাস নামাতে চায় না। সড়ক দুর্ঘটনা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় কোনো দুর্ঘটনার পর বা নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে সাময়িকভাবে বাস বন্ধ রাখা হয়। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন নির্বাচন, বড় ইভেন্ট, নিরাপত্তা ঝুঁকি) সরকার বাস চলাচল সীমিত করতে পারে। আপনার করণীয় স্থানীয় সংবাদ (টিভি/অনলাইন) চেক করুন বাস কাউন্টার বা পরিবহন অফিসে খোঁজ নিন বিকল্প হিসেবে ট্রেন, লঞ্চ বা রাইড শেয়ার (যদি চালু থাকে) বিবেচনা করুন 🔎 Reality Check “অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ” কথাটা অনেক সময় চাপ তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বাস্তবে বেশি...

সহ' বাস শেষে বী' র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম কি বলে জেনে নিন

 স’হ’বাস শেষে বী’র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম যা বলছে সহবাসের সময় বীর্য স্ত্রীর গর্ভে না রেখে বাইরে ফেলার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতির নাম ফিকহের ভাষায় “আজল”। এটি একটি পরিচিত প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যার ব্যাপারে ইসলাম সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। হাদিস অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় সাহাবিরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করতেন, এবং তিনি তা নিষেধ করেননি। ফলে ইসলামি শরিয়তের আলোকে বলা যায়, স্ত্রীর সম্মতি থাকলে এবং বৈধ প্রয়োজনে আজল ব্যবহার করা জায়েয। তবে ইসলামে সন্তান না নেওয়ার পেছনে উদ্দেশ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি শুধুমাত্র দারিদ্র্য, জীবিকা অনিশ্চয়তা কিংবা সন্তান পালনের ভয় থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, “তোমাদের ও তোমাদের সন্তানদের রিজিকের দায়িত্ব আমি (আল্লাহ) নিয়েছি।” তবে স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের মত অনুযায়ী গর্ভধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হলে, সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ বৈধ। এই ক্ষেত্রে আজল, কন্ডমসহ স্বাস্থ্যসম্মত ও শরিয়তসম্মত উপায় অবলম্বন করা যায়। স্থায়ীভাব...