Skip to main content

অবৈধ টাকা ও আ.লীগের দোসর খোঁজার অযুহাতে রাজধানীর একটি বাসায় তছনছ, কারা এই ছাত্র-জনতা

 

রাজধানীর গুলশানের একটি বাসায় তল্লাশির নাম করে তছনছ করা হয়েছে একদল মানুষ। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের ছেলের বাসায় অবৈধ টাকা খোঁজার অজুহাতে প্রবেশ করে বাসাটি তছনছ করেছে একদল জনতা। তবে বাড়িতে পাওয়া যায়নি অভিযুক্ত কাউকেই।


মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ‘স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের ছেলের গুলশানের বাসায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ টাকা লুকিয়ে রাখার তথ্য পেয়ে বাড়ি ঘেরাও করেছে বিপ্লবী ছাত্র-জনতা। স্থান: গুলশান-২, শাহবুদ্দিন পার্কের পাশে। প্রতিনিধি টিমের সমন্বয়ক রাজিব’ বেনামে এমন একটি ক্ষুদেবার্তা আসে গণমাধ্যম কর্মীদের মুঠোফোনেপরে রাত ১১টার দিকে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, গুলশান-২ এর ৮১ নম্বর সড়কের কনকর্ড কটেজের দিকে মিছিল নিয়ে যাচ্ছে বিক্ষুব্ধ জনতার নামে একদল মানুষ। মুহূর্তেই বাড়ির প্রধান ফটক ভেঙে প্রবেশ করেন তারা। এরপর বাড়িটির পাঁচ তলার ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করেন ছাত্র জনতার নামে একদল মানুষ। শুরু হয় লুট তরাজ, তছনছ করে খুঁজতে শুরু করেন টাকা। ভেঙ্গে ফেলেন আলমারি, ওয়ারড্রব, লাগেজ থেকে শুরু করে সবকিছু।


রাত ১২টার দিকে গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন। কিছুক্ষণ পর ভেতর প্রবেশ করে সেনাবাহিনীও। গণমাধ্যমকে পুলিশ জানায়, এখানে কিছু মানুষ এসেছে আঘাত হেনেছে এমন একটি ক্ষুদে বার্তা পেয়ে আমরা সঙ্গে সঙ্গে একটি পেট্রোল টিম পাঠিয়েছি। আমরা ডিটেইলস কিছুই জানি নাএ সময় বাড়িতে প্রবেশকারীরা জানান, ফ্ল্যাটে এবং এইচ টি ইমামের ছেলের অবৈধ টাকা রাখা আছে জেনে এসেছেন তারা। সেই সঙ্গে তারা শুনেছেন এখানে ছাত্র-জনতার হত্যাকারী, আওয়ামী লীগের দোসররা আছে। তবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়া বাড়িতে প্রবেশ নিয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি।বাড়ির গৃহকর্মীরা জানান, এইচটি ইমামের ছেলে তানভির ইমামের সাবেক স্ত্রীর বাসা এটি। তবে তার সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে ২০০১ সালে।


পুলিশ গণমাধ্যম কর্মীদের বাইরে রেখে টানা দেড় ঘণ্টা প্রবেশকারী কিছু ব্যক্তির সাথে কথা বলেন। রাত আড়াইটার দিকে গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনে দিয়ে ছাত্র জনতা পরিচয়ে বের হয়ে যান প্রবেশকারীরাগুলশান বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার সহ উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ এ বিষয়ে গণমাধ্যমে কোন কথা বলেন নি।।।।

Countdown Timer
00:01

Comments

Popular posts from this blog

সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা

 সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা কটি স্ট্যাটাস দিয়েছে,তার লেখা স্ট্যাটাস টি হুবাহু তুলে ধরা হলো..তিনি লিখেন, সামনে ১০ নম্বর ম’হাবি’পদ সংকেত!!!!একটা ‘১৫ মিনিটসের প্রোগ্রাম করতে অনেক কষ্ট হয়৷ ৫ তারিখের পর চাইলে অনেক ধান্দায় যুক্ত হতে পারতাম৷ ২-৪ লাখ সাবসক্রাইবারের চ্যানেল দিয়ে মানুষকে ব্লাকমেইল করে অনেকে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে৷ আমারও টাকা পয়সার সমস্যা হতো না কিন্তু সেটা না করে দেশের জন্যে কাজ করতে চেয়েছি৷৫ তারিখের পরপর প্রথম আলো-ডেইলী স্টার কিভাবে আলেমদের ধরে জ’ঙ্গি বানাতো সেই প্রমান দিয়েছি৷ পিলখানার ঘটনাকে কিভাবে প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার জঙ্গি তকমা দিয়েছে সেটা দেখিয়েছি তারপর একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার নিয়ে কিভাবে প্রথম আলো জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছে সেটার প্রমাণ দিয়েছি৷ পরিকল্পনা ছিলো এক এক করে হলি আর্টিজানসহ দেশের সবকটা জঙ্গি হামলার আসল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করবো৷ কিন্তু সেটার আর প্রয়োজন মনে করছিনা৷ কারন এতসব প্রমান দেখানোর পরেও প্রথম আলো ডেইলি স্টারের বি’রুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নিউল্টো প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সব রাজনৈতিক দলের ( জামায়ত-বিএনপিসহ ছোট বড় কুকুরের ছা...

অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ...See more

  অনির্দিষ্ট কালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ” — এমন খবর সাধারণত হঠাৎ করে হয় না, এর পেছনে নির্দিষ্ট কারণ থাকে। বাংলাদেশে এরকম পরিস্থিতি সাধারণত নিচের কারণে দেখা যায়: সম্ভাব্য কারণ ধর্মঘট বা পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলন ভাড়া বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি, সড়ক আইন বা প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধ হলে বাস মালিক/শ্রমিকরা ধর্মঘট ডাকতে পারে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বা কর্মসূচি বড় রাজনৈতিক দলগুলোর হরতাল/অবরোধের সময় বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জ্বালানির দাম বা সরবরাহ সমস্যা ডিজেল/পেট্রোলের দাম বাড়লে বা সংকট হলে পরিবহন মালিকরা বাস নামাতে চায় না। সড়ক দুর্ঘটনা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় কোনো দুর্ঘটনার পর বা নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে সাময়িকভাবে বাস বন্ধ রাখা হয়। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন নির্বাচন, বড় ইভেন্ট, নিরাপত্তা ঝুঁকি) সরকার বাস চলাচল সীমিত করতে পারে। আপনার করণীয় স্থানীয় সংবাদ (টিভি/অনলাইন) চেক করুন বাস কাউন্টার বা পরিবহন অফিসে খোঁজ নিন বিকল্প হিসেবে ট্রেন, লঞ্চ বা রাইড শেয়ার (যদি চালু থাকে) বিবেচনা করুন 🔎 Reality Check “অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ” কথাটা অনেক সময় চাপ তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বাস্তবে বেশি...

সহ' বাস শেষে বী' র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম কি বলে জেনে নিন

 স’হ’বাস শেষে বী’র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম যা বলছে সহবাসের সময় বীর্য স্ত্রীর গর্ভে না রেখে বাইরে ফেলার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতির নাম ফিকহের ভাষায় “আজল”। এটি একটি পরিচিত প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যার ব্যাপারে ইসলাম সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। হাদিস অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় সাহাবিরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করতেন, এবং তিনি তা নিষেধ করেননি। ফলে ইসলামি শরিয়তের আলোকে বলা যায়, স্ত্রীর সম্মতি থাকলে এবং বৈধ প্রয়োজনে আজল ব্যবহার করা জায়েয। তবে ইসলামে সন্তান না নেওয়ার পেছনে উদ্দেশ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি শুধুমাত্র দারিদ্র্য, জীবিকা অনিশ্চয়তা কিংবা সন্তান পালনের ভয় থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, “তোমাদের ও তোমাদের সন্তানদের রিজিকের দায়িত্ব আমি (আল্লাহ) নিয়েছি।” তবে স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের মত অনুযায়ী গর্ভধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হলে, সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ বৈধ। এই ক্ষেত্রে আজল, কন্ডমসহ স্বাস্থ্যসম্মত ও শরিয়তসম্মত উপায় অবলম্বন করা যায়। স্থায়ীভাব...