Skip to main content

উত্তরায় বিমান বিধ্বস্ত: আগুন থেকে বেঁচে ফেরা এক শিক্ষকের ভয়াবহ বর্ণনা

 

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও দুর্ঘটনায় শতাধিক আহত হয়েছেন। বিমান বিধ্বস্তের পর ভয়াবহ আগুন থেকে বেঁচে ফেরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষক বলেন, ‘ঘটনাটি এতটাই আকস্মিক ছিল যে কারোরই কোনো প্রতিক্রিয়া দেখানোর সুযোগ ছিল না।’

বিমানটি যে ভবনের ওপর আছড়ে পড়ে, সেই ভবনে থাকা শিক্ষার্থীরা ছুটির ঘণ্টা পড়ার পর ক্লাস থেকে বের হওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছিল জানিয়ে ওই শিক্ষক বলেন, ‘এটা ঠিক স্কুল ছুটির সময় ছিল। শিক্ষার্থীরা গেটে অপেক্ষা করছিল। কী ঘটছে তা বোঝার আগেই চারপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ল। মুহূর্তেই দৃষ্টিসীমা কমে আসলো। আমি শুধু আগুন দেখতে পাচ্ছিলাম—তারপর ধোঁয়া।’

আরও পড়ুনঃ  ইন্টারনেট নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রীকে মেরে থানায় গেলেন স্বামী
নিজের আঘাতের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার হাত পুড়ে গিয়েছে। শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল। আমার মুখ ও কান ঝলসে গেছে।’

এ অবস্থায় দ্রুত ওয়াশরুমে গিয়ে একটি ভেজা কাপড় নিয়ে এসে নিজের নাক ঢাকেন জানিয়ে ওই শিক্ষক বলেন, ‘কাছে থাকা বাচ্চাদেরও আমি একই কাজ করতে বললাম। তাদের অনেকের শার্টে ততক্ষণে আগুন ধরে গিয়েছিল। আমি তাদের নিচু হয়ে থাকতে এবং মুখ ঢাকতে বললাম।’

ওই শিক্ষকের সঙ্গে তিনজন শিক্ষার্থী সেখান থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হয়। তাদের ভেতর গুরুতর দগ্ধ একজনকে সিএমএইচ-এর বার্ন ইউনিটে রেফার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ‘ক্লাস চলছিল, হঠাৎ একটা শব্দ হয়, দেখি বাচ্চারা রক্তাক্ত অবস্থায় বেরিয়ে আসছে’
তিনি বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থীর শরীরের কিছু অংশে চামড়া উঠে গিয়েছিল। আমি আমার পরা কাপড় দিয়ে তাকে মুড়িয়ে হাসপাতালে নিয়ে গেলাম। আমি নিজেও যন্ত্রণায় কাতর ছিলাম। কিন্তু আমি নিজেকে স্থির রেখে অন্যদের শান্ত রাখার চেষ্টা করলাম।’


Countdown Timer

Comments

Popular posts from this blog

সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা

 সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা কটি স্ট্যাটাস দিয়েছে,তার লেখা স্ট্যাটাস টি হুবাহু তুলে ধরা হলো..তিনি লিখেন, সামনে ১০ নম্বর ম’হাবি’পদ সংকেত!!!!একটা ‘১৫ মিনিটসের প্রোগ্রাম করতে অনেক কষ্ট হয়৷ ৫ তারিখের পর চাইলে অনেক ধান্দায় যুক্ত হতে পারতাম৷ ২-৪ লাখ সাবসক্রাইবারের চ্যানেল দিয়ে মানুষকে ব্লাকমেইল করে অনেকে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে৷ আমারও টাকা পয়সার সমস্যা হতো না কিন্তু সেটা না করে দেশের জন্যে কাজ করতে চেয়েছি৷৫ তারিখের পরপর প্রথম আলো-ডেইলী স্টার কিভাবে আলেমদের ধরে জ’ঙ্গি বানাতো সেই প্রমান দিয়েছি৷ পিলখানার ঘটনাকে কিভাবে প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার জঙ্গি তকমা দিয়েছে সেটা দেখিয়েছি তারপর একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার নিয়ে কিভাবে প্রথম আলো জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছে সেটার প্রমাণ দিয়েছি৷ পরিকল্পনা ছিলো এক এক করে হলি আর্টিজানসহ দেশের সবকটা জঙ্গি হামলার আসল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করবো৷ কিন্তু সেটার আর প্রয়োজন মনে করছিনা৷ কারন এতসব প্রমান দেখানোর পরেও প্রথম আলো ডেইলি স্টারের বি’রুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নিউল্টো প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সব রাজনৈতিক দলের ( জামায়ত-বিএনপিসহ ছোট বড় কুকুরের ছা...

অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ...See more

  অনির্দিষ্ট কালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ” — এমন খবর সাধারণত হঠাৎ করে হয় না, এর পেছনে নির্দিষ্ট কারণ থাকে। বাংলাদেশে এরকম পরিস্থিতি সাধারণত নিচের কারণে দেখা যায়: সম্ভাব্য কারণ ধর্মঘট বা পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলন ভাড়া বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি, সড়ক আইন বা প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধ হলে বাস মালিক/শ্রমিকরা ধর্মঘট ডাকতে পারে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বা কর্মসূচি বড় রাজনৈতিক দলগুলোর হরতাল/অবরোধের সময় বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জ্বালানির দাম বা সরবরাহ সমস্যা ডিজেল/পেট্রোলের দাম বাড়লে বা সংকট হলে পরিবহন মালিকরা বাস নামাতে চায় না। সড়ক দুর্ঘটনা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় কোনো দুর্ঘটনার পর বা নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে সাময়িকভাবে বাস বন্ধ রাখা হয়। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন নির্বাচন, বড় ইভেন্ট, নিরাপত্তা ঝুঁকি) সরকার বাস চলাচল সীমিত করতে পারে। আপনার করণীয় স্থানীয় সংবাদ (টিভি/অনলাইন) চেক করুন বাস কাউন্টার বা পরিবহন অফিসে খোঁজ নিন বিকল্প হিসেবে ট্রেন, লঞ্চ বা রাইড শেয়ার (যদি চালু থাকে) বিবেচনা করুন 🔎 Reality Check “অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ” কথাটা অনেক সময় চাপ তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বাস্তবে বেশি...

সহ' বাস শেষে বী' র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম কি বলে জেনে নিন

 স’হ’বাস শেষে বী’র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম যা বলছে সহবাসের সময় বীর্য স্ত্রীর গর্ভে না রেখে বাইরে ফেলার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতির নাম ফিকহের ভাষায় “আজল”। এটি একটি পরিচিত প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যার ব্যাপারে ইসলাম সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। হাদিস অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় সাহাবিরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করতেন, এবং তিনি তা নিষেধ করেননি। ফলে ইসলামি শরিয়তের আলোকে বলা যায়, স্ত্রীর সম্মতি থাকলে এবং বৈধ প্রয়োজনে আজল ব্যবহার করা জায়েয। তবে ইসলামে সন্তান না নেওয়ার পেছনে উদ্দেশ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি শুধুমাত্র দারিদ্র্য, জীবিকা অনিশ্চয়তা কিংবা সন্তান পালনের ভয় থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, “তোমাদের ও তোমাদের সন্তানদের রিজিকের দায়িত্ব আমি (আল্লাহ) নিয়েছি।” তবে স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের মত অনুযায়ী গর্ভধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হলে, সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ বৈধ। এই ক্ষেত্রে আজল, কন্ডমসহ স্বাস্থ্যসম্মত ও শরিয়তসম্মত উপায় অবলম্বন করা যায়। স্থায়ীভাব...