Skip to main content

প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টার বক্তব্যে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা, পবিপ্রবিতে বিক্ষোভ

 চাকরির ক্ষেত্রে ‘ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি (কম্বাইন্ড) ডিগ্রিধারীরা অগ্রাধিকার পাবে’—মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) বিক্ষোভ করেছে অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা।

প্রকাশক : ইকতিদার সাকিব অমিয়- পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। 

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি এনএসভিএম অনুষদের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অনুষদীয় মেইন গেটে গিয়ে শেষ হয়।

পরে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. এম. এইচ. কাওসার, ডেইরি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল মতিন এবং অ্যানিমেল নিউট্রিশন বিভাগের অধ্যাপক ড. ননী গোপাল সাহা। এ সময় অ্যাসোসিয়েশনের অন্যান্য সদস্যসহ অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডিসিপ্লিনের শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি আবদুল্লাহ হিল কাফি বলেন, “রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের একজন প্রতিনিধি হিসেবে উপদেষ্টার কাছ থেকে এ ধরনের একপেশে মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়। বাস্তবতা যাচাই না করে এমন বক্তব্য দিলে তা খাতটির জন্য হুমকিস্বরূপ হতে পারে।”

পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার সরকার বলেন, “অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রির শিক্ষার্থীরা পোল্ট্রি, ডেইরি, নিউট্রিশন, ব্রিডিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে। চিকিৎসার পাশাপাশি উৎপাদনেও তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অথচ একপক্ষকে অগ্রাধিকার দিলে খাতটির ভারসাম্য নষ্ট হবে।”

সমাবেশে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. এম. এইচ. কাওসার বলেন, “বর্তমানে প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি—উভয় ক্ষেত্রেরই অবদান গুরুত্বপূর্ণ। অথচ একচোখা দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেওয়া বক্তব্য পেশাগত বৈষম্য তৈরি করে। আমরা এ বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

Comments

Popular posts from this blog

সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা

 সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা কটি স্ট্যাটাস দিয়েছে,তার লেখা স্ট্যাটাস টি হুবাহু তুলে ধরা হলো..তিনি লিখেন, সামনে ১০ নম্বর ম’হাবি’পদ সংকেত!!!!একটা ‘১৫ মিনিটসের প্রোগ্রাম করতে অনেক কষ্ট হয়৷ ৫ তারিখের পর চাইলে অনেক ধান্দায় যুক্ত হতে পারতাম৷ ২-৪ লাখ সাবসক্রাইবারের চ্যানেল দিয়ে মানুষকে ব্লাকমেইল করে অনেকে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে৷ আমারও টাকা পয়সার সমস্যা হতো না কিন্তু সেটা না করে দেশের জন্যে কাজ করতে চেয়েছি৷৫ তারিখের পরপর প্রথম আলো-ডেইলী স্টার কিভাবে আলেমদের ধরে জ’ঙ্গি বানাতো সেই প্রমান দিয়েছি৷ পিলখানার ঘটনাকে কিভাবে প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার জঙ্গি তকমা দিয়েছে সেটা দেখিয়েছি তারপর একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার নিয়ে কিভাবে প্রথম আলো জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছে সেটার প্রমাণ দিয়েছি৷ পরিকল্পনা ছিলো এক এক করে হলি আর্টিজানসহ দেশের সবকটা জঙ্গি হামলার আসল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করবো৷ কিন্তু সেটার আর প্রয়োজন মনে করছিনা৷ কারন এতসব প্রমান দেখানোর পরেও প্রথম আলো ডেইলি স্টারের বি’রুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নিউল্টো প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সব রাজনৈতিক দলের ( জামায়ত-বিএনপিসহ ছোট বড় কুকুরের ছা...

অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ...See more

  অনির্দিষ্ট কালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ” — এমন খবর সাধারণত হঠাৎ করে হয় না, এর পেছনে নির্দিষ্ট কারণ থাকে। বাংলাদেশে এরকম পরিস্থিতি সাধারণত নিচের কারণে দেখা যায়: সম্ভাব্য কারণ ধর্মঘট বা পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলন ভাড়া বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি, সড়ক আইন বা প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধ হলে বাস মালিক/শ্রমিকরা ধর্মঘট ডাকতে পারে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বা কর্মসূচি বড় রাজনৈতিক দলগুলোর হরতাল/অবরোধের সময় বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জ্বালানির দাম বা সরবরাহ সমস্যা ডিজেল/পেট্রোলের দাম বাড়লে বা সংকট হলে পরিবহন মালিকরা বাস নামাতে চায় না। সড়ক দুর্ঘটনা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় কোনো দুর্ঘটনার পর বা নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে সাময়িকভাবে বাস বন্ধ রাখা হয়। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন নির্বাচন, বড় ইভেন্ট, নিরাপত্তা ঝুঁকি) সরকার বাস চলাচল সীমিত করতে পারে। আপনার করণীয় স্থানীয় সংবাদ (টিভি/অনলাইন) চেক করুন বাস কাউন্টার বা পরিবহন অফিসে খোঁজ নিন বিকল্প হিসেবে ট্রেন, লঞ্চ বা রাইড শেয়ার (যদি চালু থাকে) বিবেচনা করুন 🔎 Reality Check “অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ” কথাটা অনেক সময় চাপ তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বাস্তবে বেশি...

সহ' বাস শেষে বী' র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম কি বলে জেনে নিন

 স’হ’বাস শেষে বী’র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম যা বলছে সহবাসের সময় বীর্য স্ত্রীর গর্ভে না রেখে বাইরে ফেলার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতির নাম ফিকহের ভাষায় “আজল”। এটি একটি পরিচিত প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যার ব্যাপারে ইসলাম সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। হাদিস অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় সাহাবিরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করতেন, এবং তিনি তা নিষেধ করেননি। ফলে ইসলামি শরিয়তের আলোকে বলা যায়, স্ত্রীর সম্মতি থাকলে এবং বৈধ প্রয়োজনে আজল ব্যবহার করা জায়েয। তবে ইসলামে সন্তান না নেওয়ার পেছনে উদ্দেশ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি শুধুমাত্র দারিদ্র্য, জীবিকা অনিশ্চয়তা কিংবা সন্তান পালনের ভয় থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, “তোমাদের ও তোমাদের সন্তানদের রিজিকের দায়িত্ব আমি (আল্লাহ) নিয়েছি।” তবে স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের মত অনুযায়ী গর্ভধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হলে, সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ বৈধ। এই ক্ষেত্রে আজল, কন্ডমসহ স্বাস্থ্যসম্মত ও শরিয়তসম্মত উপায় অবলম্বন করা যায়। স্থায়ীভাব...