Skip to main content

স্বাভাবিক সময় এমন একটা জিনিস

 স্বাভাবিক সময় এমন একটা জিনিস

মিলনের স্বাভাবিক সময় নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা ও মতভেদ থাকলেও, এটি একটি ব্যক্তিগত বিষয় এবং এর কোনো নির্দিষ্ট "সঠিক" সময়সীমা নেই। তবে কিছু গবেষণার ফলাফল থেকে একটি গড় ধারণা পাওয়া যায়।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী:

 * গড় সময়কাল: কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, পুরুষদের ক্ষেত্রে অনুপ্রবেশের পর বীর্যপাত হতে ৩ থেকে ৭ মিনিট সময় লাগে। অন্য একটি গবেষণায়, ৫০৯ দম্পতির উপর চালানো সমীক্ষায় গড় সময়কাল ছিল ৫.৪ মিনিট।

 * 'পর্যাপ্ত' এবং 'কাঙ্ক্ষিত' সময়: কিছু যৌন থেরাপিস্টের মতে, ৩-৭ মিনিট কে "পর্যাপ্ত" এবং ৭-১৩ মিনিট কে "কাঙ্ক্ষিত" সময় হিসাবে ধরা হয়।

 * 'খুব কম' এবং 'খুব বেশি' সময়: ১-২ মিনিট কে "খুব কম" এবং ১০-৩০ মিনিট কে "খুব বেশি" সময় হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে, তবে এটি ব্যক্তির পছন্দের উপর নির্ভরশীল।

 * মহিলাদের অরগাজমের জন্য সময়: অনেক ক্ষেত্রে মহিলাদের অরগাজমে পৌঁছাতে পুরুষদের তুলনায় বেশি সময় লাগে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, মহিলাদের অরগাজমে পৌঁছাতে গড়ে ১৪ মিনিট লাগতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

 * ব্যক্তিগত তৃপ্তি: মিলনের সময়কাল যত দীর্ঘই হোক না কেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো উভয় সঙ্গীর তৃপ্তি। যদি আপনি এবং আপনার সঙ্গী সন্তুষ্ট থাকেন, তাহলে সময়কাল নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।

 * ফোরপ্লে (Foreplay): ফোরপ্লে বা পূর্বরাগ মিলনকে আরও উপভোগ্য করে তুলতে পারে এবং এটি মোট যৌন কার্যকলাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফোরপ্লে সময়কালে অন্তর্ভুক্ত নয়, তবে এটি সামগ্রিক সন্তুষ্টিতে অবদান রাখে।

 * যোগাযোগ: সঙ্গীর সাথে খোলামেলাভাবে কথা বলা এবং একে অপরের পছন্দ ও চাহিদা বোঝা একটি সন্তোষজনক যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

 * শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য: বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক কারণ মিলনের সময়কালকে প্রভাবিত করতে পারে। যেমন - স্ট্রেস, উদ্বেগ, স্বাস্থ্যগত সমস্যা, বা কিছু ঔষধের প্রভাব।

যদি মিলনের সময়কাল নিয়ে আপনার বা আপনার সঙ্গীর কোনো উদ্বেগ থাকে, তবে একজন যৌন বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের সাথে কথা বলতে পারেন। তিনি আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক পরামর্শ দিতে পারবেন।

Countdown Timer

Comments

Popular posts from this blog

সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা

 সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা কটি স্ট্যাটাস দিয়েছে,তার লেখা স্ট্যাটাস টি হুবাহু তুলে ধরা হলো..তিনি লিখেন, সামনে ১০ নম্বর ম’হাবি’পদ সংকেত!!!!একটা ‘১৫ মিনিটসের প্রোগ্রাম করতে অনেক কষ্ট হয়৷ ৫ তারিখের পর চাইলে অনেক ধান্দায় যুক্ত হতে পারতাম৷ ২-৪ লাখ সাবসক্রাইবারের চ্যানেল দিয়ে মানুষকে ব্লাকমেইল করে অনেকে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে৷ আমারও টাকা পয়সার সমস্যা হতো না কিন্তু সেটা না করে দেশের জন্যে কাজ করতে চেয়েছি৷৫ তারিখের পরপর প্রথম আলো-ডেইলী স্টার কিভাবে আলেমদের ধরে জ’ঙ্গি বানাতো সেই প্রমান দিয়েছি৷ পিলখানার ঘটনাকে কিভাবে প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার জঙ্গি তকমা দিয়েছে সেটা দেখিয়েছি তারপর একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার নিয়ে কিভাবে প্রথম আলো জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছে সেটার প্রমাণ দিয়েছি৷ পরিকল্পনা ছিলো এক এক করে হলি আর্টিজানসহ দেশের সবকটা জঙ্গি হামলার আসল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করবো৷ কিন্তু সেটার আর প্রয়োজন মনে করছিনা৷ কারন এতসব প্রমান দেখানোর পরেও প্রথম আলো ডেইলি স্টারের বি’রুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নিউল্টো প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সব রাজনৈতিক দলের ( জামায়ত-বিএনপিসহ ছোট বড় কুকুরের ছা...

অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ...See more

  অনির্দিষ্ট কালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ” — এমন খবর সাধারণত হঠাৎ করে হয় না, এর পেছনে নির্দিষ্ট কারণ থাকে। বাংলাদেশে এরকম পরিস্থিতি সাধারণত নিচের কারণে দেখা যায়: সম্ভাব্য কারণ ধর্মঘট বা পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলন ভাড়া বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি, সড়ক আইন বা প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধ হলে বাস মালিক/শ্রমিকরা ধর্মঘট ডাকতে পারে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বা কর্মসূচি বড় রাজনৈতিক দলগুলোর হরতাল/অবরোধের সময় বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জ্বালানির দাম বা সরবরাহ সমস্যা ডিজেল/পেট্রোলের দাম বাড়লে বা সংকট হলে পরিবহন মালিকরা বাস নামাতে চায় না। সড়ক দুর্ঘটনা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় কোনো দুর্ঘটনার পর বা নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে সাময়িকভাবে বাস বন্ধ রাখা হয়। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন নির্বাচন, বড় ইভেন্ট, নিরাপত্তা ঝুঁকি) সরকার বাস চলাচল সীমিত করতে পারে। আপনার করণীয় স্থানীয় সংবাদ (টিভি/অনলাইন) চেক করুন বাস কাউন্টার বা পরিবহন অফিসে খোঁজ নিন বিকল্প হিসেবে ট্রেন, লঞ্চ বা রাইড শেয়ার (যদি চালু থাকে) বিবেচনা করুন 🔎 Reality Check “অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ” কথাটা অনেক সময় চাপ তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বাস্তবে বেশি...

সহ' বাস শেষে বী' র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম কি বলে জেনে নিন

 স’হ’বাস শেষে বী’র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম যা বলছে সহবাসের সময় বীর্য স্ত্রীর গর্ভে না রেখে বাইরে ফেলার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতির নাম ফিকহের ভাষায় “আজল”। এটি একটি পরিচিত প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যার ব্যাপারে ইসলাম সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। হাদিস অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় সাহাবিরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করতেন, এবং তিনি তা নিষেধ করেননি। ফলে ইসলামি শরিয়তের আলোকে বলা যায়, স্ত্রীর সম্মতি থাকলে এবং বৈধ প্রয়োজনে আজল ব্যবহার করা জায়েয। তবে ইসলামে সন্তান না নেওয়ার পেছনে উদ্দেশ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি শুধুমাত্র দারিদ্র্য, জীবিকা অনিশ্চয়তা কিংবা সন্তান পালনের ভয় থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, “তোমাদের ও তোমাদের সন্তানদের রিজিকের দায়িত্ব আমি (আল্লাহ) নিয়েছি।” তবে স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের মত অনুযায়ী গর্ভধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হলে, সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ বৈধ। এই ক্ষেত্রে আজল, কন্ডমসহ স্বাস্থ্যসম্মত ও শরিয়তসম্মত উপায় অবলম্বন করা যায়। স্থায়ীভাব...