Skip to main content

কোন ভিটামিনের অভাবে কমে যায় পুরুষদের শু,ক্রাণু... হাত-পা ঝিঁঝিঁ, আসে !

 

ভিটামিনের ঘাটতি পুরুষদের শুক্রাণু কমিয়ে দেওয়ার একটি অন্যতম কারণ হতে পারে। বেশ কিছু ভিটামিন সরাসরি শুক্রাণুর সংখ্যা, কার্যকারিতা এবং গুণমানের ওপর প্রভাব ফেলে।
​যেসব ভিটামিনের অভাবে শুক্রাণু কমে যেতে পারে:
​ভিটামিন ডি (Vitamin D): গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন ডি-এর অভাবে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায় এবং শুক্রাণুর গতিশীলতা (motility) দুর্বল হয়। ভিটামিন ডি শুক্রাণু উৎপাদন ও টেস্টোস্টেরন হরমোন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
​ভিটামিন বি১২ (Vitamin B12): ভিটামিন বি১২ শুক্রাণু উৎপাদন প্রক্রিয়ায় একটি অপরিহার্য উপাদান। এর অভাবে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায়, গুণগত মান খারাপ হয় এবং শুক্রাণুর ডিএনএ-তে ক্ষতি হতে পারে।
​ফলিক অ্যাসিড (Folic Acid/Vitamin B9): ফলিক অ্যাসিড ডিএনএ সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয়, যা শুক্রাণু গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর অভাবে শুক্রাণুর ঘনত্ব (concentration) এবং গতিশীলতা কমে যেতে পারে।
​ভিটামিন সি (Vitamin C): এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শুক্রাণুকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে। ভিটামিন সি-এর অভাব শুক্রাণুর ডিএনএ-তে ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
​ভিটামিন ই (Vitamin E): এটিও একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শুক্রাণুর কোষের ঝিল্লিকে রক্ষা করে। এর অভাব শুক্রাণুর কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
​হাত-পা ঝিঁঝিঁ আসার কারণ:
​হাত-পা ঝিঁঝিঁ (Tingling) আসার সমস্যাকে ডাক্তারি ভাষায় "পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি" বলা হয়। এর অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে, যার মধ্যে ভিটামিনের অভাব একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
​ভিটামিন বি১২ (Vitamin B12) এর অভাব: এটি হাত-পা ঝিঁঝিঁ হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। ভিটামিন বি১২ স্নায়ুতন্ত্রের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এর অভাবে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা হাত-পায়ে অসাড়তা, ঝিঁঝিঁ ধরা বা কাঁপুনি সৃষ্টি করে।
​ভিটামিন বি১, বি৬ এবং ভিটামিন ই-এর অভাব: এই ভিটামিনগুলোর ঘাটতিও স্নায়ুর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং ঝিঁঝিঁ ধরার কারণ হতে পারে।
​অন্যান্য কারণ:
​এছাড়াও, হাত-পা ঝিঁঝিঁ হওয়ার পেছনে আরও কিছু গুরুতর কারণ থাকতে পারে:
​ডায়াবেটিস
​থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা
​কিডনির রোগ
​দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে বসে থাকা বা শোয়া
​মেরুদণ্ডের স্নায়ুর ওপর চাপ (যেমন: সারভাইক্যাল স্পন্ডিলাইসিস)
​কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
​যদি আপনার এই ধরনের সমস্যাগুলো বারবার হতে থাকে, তাহলে দ্রুত একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তিনি সঠিক কারণ নির্ণয় করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বা ভিটামিন সাপ্লিমেন্টের পরামর্শ দিতে পারবেন।

Countdown Timer

Comments

Popular posts from this blog

সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা

 সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা কটি স্ট্যাটাস দিয়েছে,তার লেখা স্ট্যাটাস টি হুবাহু তুলে ধরা হলো..তিনি লিখেন, সামনে ১০ নম্বর ম’হাবি’পদ সংকেত!!!!একটা ‘১৫ মিনিটসের প্রোগ্রাম করতে অনেক কষ্ট হয়৷ ৫ তারিখের পর চাইলে অনেক ধান্দায় যুক্ত হতে পারতাম৷ ২-৪ লাখ সাবসক্রাইবারের চ্যানেল দিয়ে মানুষকে ব্লাকমেইল করে অনেকে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে৷ আমারও টাকা পয়সার সমস্যা হতো না কিন্তু সেটা না করে দেশের জন্যে কাজ করতে চেয়েছি৷৫ তারিখের পরপর প্রথম আলো-ডেইলী স্টার কিভাবে আলেমদের ধরে জ’ঙ্গি বানাতো সেই প্রমান দিয়েছি৷ পিলখানার ঘটনাকে কিভাবে প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার জঙ্গি তকমা দিয়েছে সেটা দেখিয়েছি তারপর একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার নিয়ে কিভাবে প্রথম আলো জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছে সেটার প্রমাণ দিয়েছি৷ পরিকল্পনা ছিলো এক এক করে হলি আর্টিজানসহ দেশের সবকটা জঙ্গি হামলার আসল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করবো৷ কিন্তু সেটার আর প্রয়োজন মনে করছিনা৷ কারন এতসব প্রমান দেখানোর পরেও প্রথম আলো ডেইলি স্টারের বি’রুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নিউল্টো প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সব রাজনৈতিক দলের ( জামায়ত-বিএনপিসহ ছোট বড় কুকুরের ছা...

অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ...See more

  অনির্দিষ্ট কালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ” — এমন খবর সাধারণত হঠাৎ করে হয় না, এর পেছনে নির্দিষ্ট কারণ থাকে। বাংলাদেশে এরকম পরিস্থিতি সাধারণত নিচের কারণে দেখা যায়: সম্ভাব্য কারণ ধর্মঘট বা পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলন ভাড়া বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি, সড়ক আইন বা প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধ হলে বাস মালিক/শ্রমিকরা ধর্মঘট ডাকতে পারে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বা কর্মসূচি বড় রাজনৈতিক দলগুলোর হরতাল/অবরোধের সময় বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জ্বালানির দাম বা সরবরাহ সমস্যা ডিজেল/পেট্রোলের দাম বাড়লে বা সংকট হলে পরিবহন মালিকরা বাস নামাতে চায় না। সড়ক দুর্ঘটনা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় কোনো দুর্ঘটনার পর বা নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে সাময়িকভাবে বাস বন্ধ রাখা হয়। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন নির্বাচন, বড় ইভেন্ট, নিরাপত্তা ঝুঁকি) সরকার বাস চলাচল সীমিত করতে পারে। আপনার করণীয় স্থানীয় সংবাদ (টিভি/অনলাইন) চেক করুন বাস কাউন্টার বা পরিবহন অফিসে খোঁজ নিন বিকল্প হিসেবে ট্রেন, লঞ্চ বা রাইড শেয়ার (যদি চালু থাকে) বিবেচনা করুন 🔎 Reality Check “অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ” কথাটা অনেক সময় চাপ তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বাস্তবে বেশি...

সহ' বাস শেষে বী' র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম কি বলে জেনে নিন

 স’হ’বাস শেষে বী’র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম যা বলছে সহবাসের সময় বীর্য স্ত্রীর গর্ভে না রেখে বাইরে ফেলার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতির নাম ফিকহের ভাষায় “আজল”। এটি একটি পরিচিত প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যার ব্যাপারে ইসলাম সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। হাদিস অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় সাহাবিরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করতেন, এবং তিনি তা নিষেধ করেননি। ফলে ইসলামি শরিয়তের আলোকে বলা যায়, স্ত্রীর সম্মতি থাকলে এবং বৈধ প্রয়োজনে আজল ব্যবহার করা জায়েয। তবে ইসলামে সন্তান না নেওয়ার পেছনে উদ্দেশ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি শুধুমাত্র দারিদ্র্য, জীবিকা অনিশ্চয়তা কিংবা সন্তান পালনের ভয় থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, “তোমাদের ও তোমাদের সন্তানদের রিজিকের দায়িত্ব আমি (আল্লাহ) নিয়েছি।” তবে স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের মত অনুযায়ী গর্ভধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হলে, সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ বৈধ। এই ক্ষেত্রে আজল, কন্ডমসহ স্বাস্থ্যসম্মত ও শরিয়তসম্মত উপায় অবলম্বন করা যায়। স্থায়ীভাব...