Skip to main content

মা-162এইমাত্র: সাংবাদিক ইলিয়াসের জরুরি বার্তা!

 

📢সাংবাদিক ইলিয়াস---
1. নির্বাচন কি আসলেই হবে?

কালের কণ্ঠ অনলাইনে প্রকাশিত একজন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইলিয়াস হোসাইন ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন যে আগামী ফেব্রুয়ারি-এপ্রিলের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। 

তিনি বলেন, নির্বাচন “পূর্ববর্তী নিয়মেই” হবে, অর্থাৎ পুরনো পদ্ধতি (সম্ভবত PR-পদ্ধতির পরিবর্তে) বজায় রাখা হবে। 



2. গণভোট আয়োজন ও তার উদ্দেশ্য

কিছু মিডিয়া (ভিডিও, সোশ্যাল মিডিয়া) দৃঢ়ভাবে দেখাচ্ছে যে ইলিয়াস গণভোটকে গুরুত্বপূর্ণ করে দেখছেন — কারণ তাঁর মতে গণভোট “রাজ্য কাঠামো” বা ক্ষমতার গঠন পরিবর্তন করতে পারে। (উদাহরণ: তার মন্তব্য “জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরছে” শীর্ষক ভিডিও আছে) 

তবে এর সাথে যুক্ত একটি অভিযোগও রয়েছে: DBC News-এর একটি ভিডিও/পোস্টে বলা হচ্ছে, “গণভোট আয়োজন” করার আগ্রহ থাকতে পারে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেও। 



3. রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার দাবি

ইলিয়াস একাধিকবার বলেছেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দল (বিএনপি, জামায়াত ইত্যাদি) বিশেষভাবে প্রতিনিধিত্ব করেন না। 

তার কথায়, “আমি একটাই দল করি” — অর্থাৎ জনগণের, রাজনৈতিক স্বচ্ছতার এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি তার আনুগত্য। 



4. সমালোচনা ও বিতর্ক

তার “গণভোট” সমর্থনের কারণে কিছু পক্ষ মনে করছে এটি একটি কূটনৈতিক বা রাজনৈতিক কৌশল হতে পারে (নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য)। 

আবার, একজন ফেসবুক পোস্টে, ইলিয়াস উল্লেখ করেছেন যে ড. ইউনূস (সম্ভবত রাজনৈতিক নেতা) অতীতে এতো বড় জনসমর্থন পেয়েছিলেন, কিন্তু পরে “চোর বাটপারদের সুযোগ করে দিয়েছেন” — এই ধরনের কঠোর সমালোচনাও তার মন্তব্যে আছে। 





---

আমার বিশ্লেষণ

ইলিয়াস গণভোটকে কেবল নির্বাচন হয়রানির জন্য নয়, বরং গভীর রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক পরিবর্তনের মাধ্যম হিসেবে দেখছেন।

তার মতে, গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ তুল্যায়ন বা রিফর্ম টুল যা দেশের রাষ্ট্র গঠন ও ক্ষমতার কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে পারে।

তবে, তার এই দৃষ্টিভঙ্গি সব পক্ষই মানে না: কিছু বিতর্ক আছে যে গণভোটের কথা বলা হচ্ছে আসলে নির্বাচন পিছিয়ে দিতে বা রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার জন্য।

ইলিয়াস নিজেকে একটি নিরপেক্ষ এবং জনগেন্সথিত দৃষ্টিকোণ থেকে কথা বলছেন, দলীয় বেজায় ছাড়াই, যা তাকে অংশ-রাজনীতির বাইরেও একটি প্রভাবশালী সংবাদকর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।



---

যদি চাও, আমি সাম্প্রতিক (২০২৫ এর) তার সব গণভোট-সংক্রান্ত পোস্ট, ভিডিও ও বিশ্লেষণ একসাথে তুলনা করে দিতে পারি — করতে পারি কি?

Countdown Timer

Comments

Popular posts from this blog

সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা

 সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা কটি স্ট্যাটাস দিয়েছে,তার লেখা স্ট্যাটাস টি হুবাহু তুলে ধরা হলো..তিনি লিখেন, সামনে ১০ নম্বর ম’হাবি’পদ সংকেত!!!!একটা ‘১৫ মিনিটসের প্রোগ্রাম করতে অনেক কষ্ট হয়৷ ৫ তারিখের পর চাইলে অনেক ধান্দায় যুক্ত হতে পারতাম৷ ২-৪ লাখ সাবসক্রাইবারের চ্যানেল দিয়ে মানুষকে ব্লাকমেইল করে অনেকে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে৷ আমারও টাকা পয়সার সমস্যা হতো না কিন্তু সেটা না করে দেশের জন্যে কাজ করতে চেয়েছি৷৫ তারিখের পরপর প্রথম আলো-ডেইলী স্টার কিভাবে আলেমদের ধরে জ’ঙ্গি বানাতো সেই প্রমান দিয়েছি৷ পিলখানার ঘটনাকে কিভাবে প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার জঙ্গি তকমা দিয়েছে সেটা দেখিয়েছি তারপর একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার নিয়ে কিভাবে প্রথম আলো জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছে সেটার প্রমাণ দিয়েছি৷ পরিকল্পনা ছিলো এক এক করে হলি আর্টিজানসহ দেশের সবকটা জঙ্গি হামলার আসল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করবো৷ কিন্তু সেটার আর প্রয়োজন মনে করছিনা৷ কারন এতসব প্রমান দেখানোর পরেও প্রথম আলো ডেইলি স্টারের বি’রুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নিউল্টো প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সব রাজনৈতিক দলের ( জামায়ত-বিএনপিসহ ছোট বড় কুকুরের ছা...

অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ...See more

  অনির্দিষ্ট কালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ” — এমন খবর সাধারণত হঠাৎ করে হয় না, এর পেছনে নির্দিষ্ট কারণ থাকে। বাংলাদেশে এরকম পরিস্থিতি সাধারণত নিচের কারণে দেখা যায়: সম্ভাব্য কারণ ধর্মঘট বা পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলন ভাড়া বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি, সড়ক আইন বা প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধ হলে বাস মালিক/শ্রমিকরা ধর্মঘট ডাকতে পারে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বা কর্মসূচি বড় রাজনৈতিক দলগুলোর হরতাল/অবরোধের সময় বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জ্বালানির দাম বা সরবরাহ সমস্যা ডিজেল/পেট্রোলের দাম বাড়লে বা সংকট হলে পরিবহন মালিকরা বাস নামাতে চায় না। সড়ক দুর্ঘটনা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় কোনো দুর্ঘটনার পর বা নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে সাময়িকভাবে বাস বন্ধ রাখা হয়। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন নির্বাচন, বড় ইভেন্ট, নিরাপত্তা ঝুঁকি) সরকার বাস চলাচল সীমিত করতে পারে। আপনার করণীয় স্থানীয় সংবাদ (টিভি/অনলাইন) চেক করুন বাস কাউন্টার বা পরিবহন অফিসে খোঁজ নিন বিকল্প হিসেবে ট্রেন, লঞ্চ বা রাইড শেয়ার (যদি চালু থাকে) বিবেচনা করুন 🔎 Reality Check “অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ” কথাটা অনেক সময় চাপ তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বাস্তবে বেশি...

সহ' বাস শেষে বী' র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম কি বলে জেনে নিন

 স’হ’বাস শেষে বী’র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম যা বলছে সহবাসের সময় বীর্য স্ত্রীর গর্ভে না রেখে বাইরে ফেলার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতির নাম ফিকহের ভাষায় “আজল”। এটি একটি পরিচিত প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যার ব্যাপারে ইসলাম সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। হাদিস অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় সাহাবিরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করতেন, এবং তিনি তা নিষেধ করেননি। ফলে ইসলামি শরিয়তের আলোকে বলা যায়, স্ত্রীর সম্মতি থাকলে এবং বৈধ প্রয়োজনে আজল ব্যবহার করা জায়েয। তবে ইসলামে সন্তান না নেওয়ার পেছনে উদ্দেশ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি শুধুমাত্র দারিদ্র্য, জীবিকা অনিশ্চয়তা কিংবা সন্তান পালনের ভয় থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, “তোমাদের ও তোমাদের সন্তানদের রিজিকের দায়িত্ব আমি (আল্লাহ) নিয়েছি।” তবে স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের মত অনুযায়ী গর্ভধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হলে, সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ বৈধ। এই ক্ষেত্রে আজল, কন্ডমসহ স্বাস্থ্যসম্মত ও শরিয়তসম্মত উপায় অবলম্বন করা যায়। স্থায়ীভাব...