Skip to main content

বর্তমানে যে আদেশ জারি করতে পারে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তিকালীন সরকার

 

অধ্যাদেশ (Ordinance) জারি করার পরিকল্পনা

একটি খসড়া অধ্যাদেশ তৈরির কথা রয়েছে, যার নাম হচ্ছে “Interim Government Ordinance, 2024”। 

এই অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সব কাজ “বৈধ” হবে এবং তাদের কর্মকাণ্ড আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। 

আরও আছে যে, যদি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে এই সরকার, অধ্যাদেশে তার ভিত্তি রাখা হচ্ছে। 

এছাড়া, খসড়া অধ্যাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ "অনির্দিষ্ট" করা হয়েছে — অর্থাৎ আগামী নির্বাচনে নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত তারা থাকতে পারে। 



3. চ্যালেঞ্জ ও কঠোর সীমাবদ্ধতা

যদিও তারা নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, কিন্তু তাদের আইন প্রণয়ন করার ক্ষমতা (যেমন স্থায়ী আইন গঠন করা, বাজেট স্থির করা) যতটা সাধারণ নির্বাচিত সরকার করে, সে ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে কারণ এটি একটি “ইন্টারিম” সরকার। ঐতিহাসিকভাবে, তত্ত্বাবধায়ক (caretaker) সরকার সাধারণত চরম নীতিগত সিদ্ধান্ত না নিয়ে নির্বাচন প্রস্তুতির দিকে বেশি মনোনিবেশ করত। 

তবে, খসড়া অধ্যাদেশ বলেছে যে তাদের কার্যক্রম আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। 





---

সারাংশ — তারা কি করতে পারে “বর্তমানে”:

নির্বাহী আদেশ বা অধ্যাদেশ জারি করা: হ্যাঁ, তারা ইতিমধ্যেই এমন একটি অধ্যাদেশ খসড়া করছে যেমন “ইন্টারিম গভর্নমেন্ট অর্ডিন্যান্স” যা তাদের ক্ষমতা বিধিবদ্ধ করতে চায়।

জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা: এই অধ্যাদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার ক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

কোনো প্রশাসনিক বা নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া: অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা সিদ্ধান্ত নিতে পারে যেমন প্রশাসনিক নিয়োগ, নীতিমালা পরিবর্তন ইত্যাদি, যতক্ষণ এটি অধ্যাদেশ বা আদেশের মাধ্যমে হয়েছে।

আইনগত চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে চলা: খসড়া অধ্যাদেশ অনুযায়ী, তাদের কার্যকলাপ আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না — কম-করা চেক এবং ব্যালান্স থাকতে পারে।

Countdown Timer
00:01

Comments

Popular posts from this blog

সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা

 সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা কটি স্ট্যাটাস দিয়েছে,তার লেখা স্ট্যাটাস টি হুবাহু তুলে ধরা হলো..তিনি লিখেন, সামনে ১০ নম্বর ম’হাবি’পদ সংকেত!!!!একটা ‘১৫ মিনিটসের প্রোগ্রাম করতে অনেক কষ্ট হয়৷ ৫ তারিখের পর চাইলে অনেক ধান্দায় যুক্ত হতে পারতাম৷ ২-৪ লাখ সাবসক্রাইবারের চ্যানেল দিয়ে মানুষকে ব্লাকমেইল করে অনেকে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে৷ আমারও টাকা পয়সার সমস্যা হতো না কিন্তু সেটা না করে দেশের জন্যে কাজ করতে চেয়েছি৷৫ তারিখের পরপর প্রথম আলো-ডেইলী স্টার কিভাবে আলেমদের ধরে জ’ঙ্গি বানাতো সেই প্রমান দিয়েছি৷ পিলখানার ঘটনাকে কিভাবে প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার জঙ্গি তকমা দিয়েছে সেটা দেখিয়েছি তারপর একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার নিয়ে কিভাবে প্রথম আলো জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছে সেটার প্রমাণ দিয়েছি৷ পরিকল্পনা ছিলো এক এক করে হলি আর্টিজানসহ দেশের সবকটা জঙ্গি হামলার আসল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করবো৷ কিন্তু সেটার আর প্রয়োজন মনে করছিনা৷ কারন এতসব প্রমান দেখানোর পরেও প্রথম আলো ডেইলি স্টারের বি’রুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নিউল্টো প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সব রাজনৈতিক দলের ( জামায়ত-বিএনপিসহ ছোট বড় কুকুরের ছা...

অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ...See more

  অনির্দিষ্ট কালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ” — এমন খবর সাধারণত হঠাৎ করে হয় না, এর পেছনে নির্দিষ্ট কারণ থাকে। বাংলাদেশে এরকম পরিস্থিতি সাধারণত নিচের কারণে দেখা যায়: সম্ভাব্য কারণ ধর্মঘট বা পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলন ভাড়া বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি, সড়ক আইন বা প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধ হলে বাস মালিক/শ্রমিকরা ধর্মঘট ডাকতে পারে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বা কর্মসূচি বড় রাজনৈতিক দলগুলোর হরতাল/অবরোধের সময় বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জ্বালানির দাম বা সরবরাহ সমস্যা ডিজেল/পেট্রোলের দাম বাড়লে বা সংকট হলে পরিবহন মালিকরা বাস নামাতে চায় না। সড়ক দুর্ঘটনা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় কোনো দুর্ঘটনার পর বা নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে সাময়িকভাবে বাস বন্ধ রাখা হয়। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন নির্বাচন, বড় ইভেন্ট, নিরাপত্তা ঝুঁকি) সরকার বাস চলাচল সীমিত করতে পারে। আপনার করণীয় স্থানীয় সংবাদ (টিভি/অনলাইন) চেক করুন বাস কাউন্টার বা পরিবহন অফিসে খোঁজ নিন বিকল্প হিসেবে ট্রেন, লঞ্চ বা রাইড শেয়ার (যদি চালু থাকে) বিবেচনা করুন 🔎 Reality Check “অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ” কথাটা অনেক সময় চাপ তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বাস্তবে বেশি...

সহ' বাস শেষে বী' র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম কি বলে জেনে নিন

 স’হ’বাস শেষে বী’র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম যা বলছে সহবাসের সময় বীর্য স্ত্রীর গর্ভে না রেখে বাইরে ফেলার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতির নাম ফিকহের ভাষায় “আজল”। এটি একটি পরিচিত প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যার ব্যাপারে ইসলাম সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। হাদিস অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় সাহাবিরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করতেন, এবং তিনি তা নিষেধ করেননি। ফলে ইসলামি শরিয়তের আলোকে বলা যায়, স্ত্রীর সম্মতি থাকলে এবং বৈধ প্রয়োজনে আজল ব্যবহার করা জায়েয। তবে ইসলামে সন্তান না নেওয়ার পেছনে উদ্দেশ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি শুধুমাত্র দারিদ্র্য, জীবিকা অনিশ্চয়তা কিংবা সন্তান পালনের ভয় থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, “তোমাদের ও তোমাদের সন্তানদের রিজিকের দায়িত্ব আমি (আল্লাহ) নিয়েছি।” তবে স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের মত অনুযায়ী গর্ভধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হলে, সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ বৈধ। এই ক্ষেত্রে আজল, কন্ডমসহ স্বাস্থ্যসম্মত ও শরিয়তসম্মত উপায় অবলম্বন করা যায়। স্থায়ীভাব...