Skip to main content

বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছেন যারা নাম সহ লিস্ট দেখে নিন।

 

বিএনপির ঘোষিত ২৩৭ সম্ভাব্য প্রার্থীর মধ্যে কয়েকজন চূড়ান্ত মনোনয়ন থেকে বাদ পড়তে পারেন। দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা জানিয়েছেন, অন্তত ২৩ প্রার্থীর বিরুদ্ধে তৃণমূলে বিক্ষোভ হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নেতৃত্বে গঠন করা হয়েছে তদন্ত ও সমন্বয় কমিটি। তবে প্রার্থী নিয়ে তৃণমূলে ধারণার চেয়ে কম বিক্ষোভ হয়েছে বলে মনে করছেন বিএনপি নেতারা। প্রায় দুই দশক পর মুক্ত পরিবেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের আশায় প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি।

 এরই অংশ হিসেবে গত ৩ নভেম্বর ২৩৭টি সংসদীয় আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দলটি। সে সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, এই তালিকা প্রায় চূড়ান্ত। কিন্তু ঘোষণার পরপরই সাতক্ষীরা, ময়মনসিংহ, সিলেট, নাটোর ও চট্টগ্রামসহ কয়েকটি জেলায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেন। তাদের দাবি—আন্দোলন ও সংগ্রামে ত্যাগী নেতারা মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। প্রার্থী তালিকায় কেন নেই বিএনপির হেভিওয়েট নেতারা প্রার্থী তালিকায় কেন নেই বিএনপির হেভিওয়েট নেতারা এমন পরিস্থিতিতে বিক্ষোভ হওয়া আসনগুলো নিয়ে আলোচনা হয় দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম, স্থায়ী কমিটির বৈঠকে। স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘যে পরিমাণ আসনে এ ধরনের প্রতিবাদ হচ্ছে, তা খুবই সামান্য। একজন প্রার্থীর অসন্তুষ্টি থাকতেই পারে। আমি বিশ্বাস করি, ধীরে ধীরে সব সমাধান হয়ে যাবে।’

 দলের অন্য স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এটা সব রাজনৈতিক দলেই হয়।

 এত বড় নির্বাচন, এত প্রার্থী—দুই-চারজন বিক্ষুব্ধ হবেই। আমরা সবাইকে বুঝিয়ে সঠিক প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেবো। প্রত্যেক এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বিষয়টি দেখবেন।’ জ্যেষ্ঠ নেতারা জানিয়েছেন, তৃণমূলের মতামত নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হবে। শিগগিরই বাকি ৬৩ আসনেও জোটসহ বিএনপির প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

Countdown Timer
00:01

Countdown Timer

Comments

Popular posts from this blog

সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা

 সাংবাদিক ইলিয়াস এর জরুরি বার্তা কটি স্ট্যাটাস দিয়েছে,তার লেখা স্ট্যাটাস টি হুবাহু তুলে ধরা হলো..তিনি লিখেন, সামনে ১০ নম্বর ম’হাবি’পদ সংকেত!!!!একটা ‘১৫ মিনিটসের প্রোগ্রাম করতে অনেক কষ্ট হয়৷ ৫ তারিখের পর চাইলে অনেক ধান্দায় যুক্ত হতে পারতাম৷ ২-৪ লাখ সাবসক্রাইবারের চ্যানেল দিয়ে মানুষকে ব্লাকমেইল করে অনেকে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে৷ আমারও টাকা পয়সার সমস্যা হতো না কিন্তু সেটা না করে দেশের জন্যে কাজ করতে চেয়েছি৷৫ তারিখের পরপর প্রথম আলো-ডেইলী স্টার কিভাবে আলেমদের ধরে জ’ঙ্গি বানাতো সেই প্রমান দিয়েছি৷ পিলখানার ঘটনাকে কিভাবে প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার জঙ্গি তকমা দিয়েছে সেটা দেখিয়েছি তারপর একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার নিয়ে কিভাবে প্রথম আলো জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছে সেটার প্রমাণ দিয়েছি৷ পরিকল্পনা ছিলো এক এক করে হলি আর্টিজানসহ দেশের সবকটা জঙ্গি হামলার আসল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করবো৷ কিন্তু সেটার আর প্রয়োজন মনে করছিনা৷ কারন এতসব প্রমান দেখানোর পরেও প্রথম আলো ডেইলি স্টারের বি’রুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নিউল্টো প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সব রাজনৈতিক দলের ( জামায়ত-বিএনপিসহ ছোট বড় কুকুরের ছা...

অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ...See more

  অনির্দিষ্ট কালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ” — এমন খবর সাধারণত হঠাৎ করে হয় না, এর পেছনে নির্দিষ্ট কারণ থাকে। বাংলাদেশে এরকম পরিস্থিতি সাধারণত নিচের কারণে দেখা যায়: সম্ভাব্য কারণ ধর্মঘট বা পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলন ভাড়া বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি, সড়ক আইন বা প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধ হলে বাস মালিক/শ্রমিকরা ধর্মঘট ডাকতে পারে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বা কর্মসূচি বড় রাজনৈতিক দলগুলোর হরতাল/অবরোধের সময় বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জ্বালানির দাম বা সরবরাহ সমস্যা ডিজেল/পেট্রোলের দাম বাড়লে বা সংকট হলে পরিবহন মালিকরা বাস নামাতে চায় না। সড়ক দুর্ঘটনা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় কোনো দুর্ঘটনার পর বা নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে সাময়িকভাবে বাস বন্ধ রাখা হয়। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন নির্বাচন, বড় ইভেন্ট, নিরাপত্তা ঝুঁকি) সরকার বাস চলাচল সীমিত করতে পারে। আপনার করণীয় স্থানীয় সংবাদ (টিভি/অনলাইন) চেক করুন বাস কাউন্টার বা পরিবহন অফিসে খোঁজ নিন বিকল্প হিসেবে ট্রেন, লঞ্চ বা রাইড শেয়ার (যদি চালু থাকে) বিবেচনা করুন 🔎 Reality Check “অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ” কথাটা অনেক সময় চাপ তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বাস্তবে বেশি...

সহ' বাস শেষে বী' র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম কি বলে জেনে নিন

 স’হ’বাস শেষে বী’র্য বাহিরে ফেললে কি গুনাহ হবে, ইসলাম যা বলছে সহবাসের সময় বীর্য স্ত্রীর গর্ভে না রেখে বাইরে ফেলার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতির নাম ফিকহের ভাষায় “আজল”। এটি একটি পরিচিত প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, যার ব্যাপারে ইসলাম সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। হাদিস অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় সাহাবিরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করতেন, এবং তিনি তা নিষেধ করেননি। ফলে ইসলামি শরিয়তের আলোকে বলা যায়, স্ত্রীর সম্মতি থাকলে এবং বৈধ প্রয়োজনে আজল ব্যবহার করা জায়েয। তবে ইসলামে সন্তান না নেওয়ার পেছনে উদ্দেশ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি শুধুমাত্র দারিদ্র্য, জীবিকা অনিশ্চয়তা কিংবা সন্তান পালনের ভয় থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, “তোমাদের ও তোমাদের সন্তানদের রিজিকের দায়িত্ব আমি (আল্লাহ) নিয়েছি।” তবে স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের মত অনুযায়ী গর্ভধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হলে, সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ বৈধ। এই ক্ষেত্রে আজল, কন্ডমসহ স্বাস্থ্যসম্মত ও শরিয়তসম্মত উপায় অবলম্বন করা যায়। স্থায়ীভাব...