বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। এ অবস্থায় মাকে দেখতে কবে দেশে আসবেন তারেক রহমান? দেশে ফেরা নিয়ে মানুষের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুে এখন তিনি। এরই মধ্যে অনেক জল্পনা কল্পনা পেরিয়ে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বরাতে জানা গেছে তিনি আজ কালের মধ্যেই দেশে ফিরবেন। দেশে এসে তিনি কোথায় উঠবেন তাও চূড়ান্ত। এদিকে গতকাল সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন তারেক রহমান শিগগিরই দেশে ফিরবেন। তবে ঠিক কবে ফিরবেন তা স্পষ্ট করেননি তিনি। দেশে ফেরা নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরায় কোনো বাধা দেখছি না। দেশে ফেরা নিয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, তার দেশে ফেরার ব্যাপারে কোনো আইনি বাধা আছে বলে আমার জানা নেই, তিনি ‘উপযুক্ত সময়ে’ দেশে ফিরে আসবেন। তিনি দেশে ফিরলে তার নিরাপত্তা নিশ্চিতে ‘সর্বোচ্চ সহযোগিতা’ করা হবে বলেও আশ্বাস দেন এ উপদেষ্টা।
আরও পড়ুনঃ ১৬ বছর পর নির্বাচনী দায়িত্বে হারানো ক্ষমতা ফিরে পেল সেনাবাহিনী
দলীয় বিভিন্ন সূত্র, দলের সিনিয়র নেতাদের সাম্প্রতিক বক্তব্য এবং গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়ির নীরব প্রস্তুতি থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এ সপ্তাহেই দেশে ফিরতে পারেন তারেক রহমান। যদিও কৌশলগত কারণে তারেক রহমানের ফেরার সুনির্দিষ্ট দিন-তারিখ দলের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হচ্ছে না। এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করেছে সরকার। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। ৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘ দিন থেকে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসের পাশাপাশি কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হৃদযন্ত্র, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন।
আরও পড়ুনঃ এবার কাপড় খুলে নির্লজ্জের মত সবার সামনে শরীর দেখালো মিমি চক্রবর্তী
গত ২৩ নভেম্বর রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তাকে ভর্তি করে নেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সপরিবারে লন্ডন যান তারেক রহমান। তারপর থেকে সেখানে অবস্থান করছেন তিনি। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রায় শখানেক মামলা ছিল। এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় তার সাজাও হয়েছিল। অবশ্য বিএনপি নেতাদের দাবি, এসব মামলা করা হয়েছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে, যার সব অভিযোগই ছিল সাজানো।
আরও পড়ুনঃ জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে যুবদল নেতাকে ‘পেটালেন’ পুলিশ কর্মকর্তা
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আইনি প্রক্রিয়ায় আদালত থেকে একে একে সব মামলা থেকে মুক্ত হন তারেক রহমান।
00:01

Comments
Post a Comment